আদর্শ শিক্ষকের গুণাবলী ও বৈশিষ্ট্য | Qualities of an ideal teacher
যিনি শিক্ষা দান করেন, তিনিই শিক্ষক। কিন্তু সবাই আদর্শ শিক্ষক হন না। একজন আদর্শ শিক্ষকের মাঝে কি কি মৌলিক গুণাবলী থাকা দরকার সেটাই আলোচ্য নিবন্ধে উপ…
দ্বীনী ইলমের বিভিন্ন স্তর ও ভাগ রয়েছে। একটি ভাগ ফরযে আইন ও ফরযে কেফায়া হিসাবে। ফরযে আইন (علم الحال) বলা হয়, যা শিক্ষা করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অপরিহার্য। তাই বিশেষভাবে এই কোর্স বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
যে ব্যক্তি মহান আল্লাহর কিতাব থেকে একটি অক্ষর তেলাওয়াত করল তার বিনিময়ে সে একটি নেকী পাবে, আর একটি নেকীর বদলা হবে দশগুণ।তেমনি তেলাওয়াতকারীর পিতা-মাতাও সেই কল্যাণধারায় সিক্ত হন। যদি কোন সন্তান কুরআন পড়া শেখে।
পবিত্র কোরআন শরিফ হিফজ করা খুবই আনন্দের বিষয়। এই সৌভাগ্য সবার নসিব জুটে না। আল্লাহ তায়ালা যাকে চান তাকে দান করেন। সুভাগ্যবান তারা যারা পবিত্র কোরআন হিফজ করতে পারছে, তাদের পিতা-মাতারাও আরও সৌভাগ্যবান।
সাপ্তাহিক প্রশ্ন ও উত্তর প্রোগ্রামে প্রচলিত ও মৌলিক বিষয় ওপর ভিত্তি রেখে। যা ইসলামের মৌলিক অংশ ও আদর্শগুলি সম্পর্কে জ্ঞান হাসিল করতে সাহায্য করতে পারে। এছাড়া আপনি যে বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে চান তা উল্লেখ করতে পারেন।
Never give up. Will have to try again and again. Everything big starts with something very small. Success will come if you work tirelessly keeping the goal right
Current Student
Application Student
Course Complete
দুনিয়ার নিযাম ও ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখার জন্য যেমন জাগতিক শিক্ষার প্রয়োজন তেমনি দ্বীনের হিফাযতের জন্য এবং দুনিয়ার সকল কাজ আল্লাহর সন্তুষ্টি মোতাবেক হওয়ার জন্য দ্বীনী শিক্ষার প্রয়োজন। মুসলিম সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষ যেন দ্বীন মোতাবেক চলতে পারে এবং হারাম থেকে বেঁচে হালালভাবে জীবন যাপন করতে পারে সেজন্য কুরআন-সুন্নাহয় পারদর্শী একটি জামাআত বিদ্যমান থাকা অপরিহার্য। কুরআন মজীদে ইরশাদ হয়েছে, ‘কেন বের হয় না প্রত্যেক সম্প্রদায় থেকে একটি দল, যাতে তারা দ্বীনের তাফাক্কুহ অর্জন করে এবং ভীতি প্রদর্শন করে তাদের জাতিকে যখন তারা ফিরে আসে তাদের নিকট। সম্ভবত তারা আল্লাহ ভীতি অর্জন করবে।’ সূরা তাওবা : ১২২ এজন্য প্রত্যেক জনপদে দ্বীনের ইলমে পারদর্শী ব্যক্তিত্ব বিদ্যমান থাকা ফরযে কিফায়া। আর এই উদ্দেশ্যে দ্বীনের ইলমের চর্চা অব্যাহত রাখা সমাজের অপরিহার্য কর্তব্য। কুরআন-সুন্নাহর চর্চা ও অনুসরণের অভাব হলে সমাজের সকল অঙ্গনে দুর্নীতি ও অনাচার দেখা দিবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সমাজ যতই উন্নতি লাভ করুক ঈমান ও আল্লাহভীতি না থাকলে তা মানুষের ক্ষতি ও অকল্যাণে ব্যবহৃত হবে। মানুষের সকল আবিষ্কারকে অর্থপূর্ণ ও কল্যাণমুখী করার জন্যই অপরিহার্য প্রয়োজন ইলমে ওহীর চর্চা। তদ্রূপ ইসলামের প্রকৃত শিক্ষাকে সম্পূর্ণ অবিকলভাবে সংরক্ষণ করার জন্য কুরআন-সুন্নাহর বিশেষজ্ঞ তৈরি করা অপরিহার্য। ইসলামের অপব্যাখ্যা ও বিভিন্ন বাতিল মতবাদের স্বরূপ উন্মোচন করে সঠিক ইসলামী শিক্ষা ও ইসলামী চিন্তাধারা পরবর্তী প্রজন্মের নিকট পৌঁছে দেওয়াও আলিমদের কর্তব্য। এ বিষয়ে হাদীস শরীফে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘প্রত্যেক প্রজন্মের ন্যায়-নিষ্ঠ লোকেরা দ্বীনের এই ইলমকে ধারণ করবে। তারা সীমালংঘনকারীদের বিকৃতি, বাতিলপন্থীদের মিথ্যাচার এবং মূর্খদের অপব্যাখ্যা থেকে একে রক্ষা করবে।’-সুনানে বায়হাকী ১০/২০৯ দ্বীনী শিক্ষার ফযীলত এশিক্ষার বিষয়বস্ত্ত যেহেতু সরাসরি দ্বীনের সাথে সম্পৃক্ত তাই এর ফযীলতও অন্যান্য শিক্ষার তুলনায় বেশি। নিম্নে এ সংক্রান্ত কিছু আয়াত ও হাদীস উল্লেখ করা হল : ১. পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদেরকে ইলম দান করা হয়েছে আল্লাহ তাদের মর্যাদা বাড়িয়ে দিবেন বহুগুণ।’ সূরা মুজাদালা : ১১ ২. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি যে কুরআন শিক্ষা করে এবং শিক্ষা দেয়।’-সহীহ বুখারী ২/৭৫২
কোরআন নাজিলের মাস রমজান। তাই রমজান যেমন রোজার মাস, তেমনি পবিত্র কোরআনের মাসও বটে। রমজান মাসের সঙ্গে আল কোরআনের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড় ও গভীর। মাসটি রহমত, বরকত, নাজাত, মাগফেরাতের মাস। বিশেষভাবে কোরআনের মাস। তাকওয়া বা খোদাভীতি অর্জনের মাস। এ কারণেই রমজানে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোরআন চর্চার পরিমাণ বাড়িয়ে দিতেন।
মুসলিম শিশু-কিশোরদের সর্বপ্রথম কোরআনের পাঠদান করা উচিত। কোরআনের মাধ্যমে শিক্ষাজীবন শুরু করলে শিশুর জীবন বরকতময় হবে, সে আল্লাহর অনুগ্রহ লাভ করবে। তা ছাড়া অভিজ্ঞতা বলে, শৈশবে শিশুরা অন্য বিষয়ের পাঠ গ্রহণ করতে না পারলেও তারা কোরআন রপ্ত করতে পারে। শৈশবই কোরআন শেখার সর্বোত্তম সময়। ইরশাদ হয়েছে, ‘কোরআন আমি সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?’ (সুরা কামার, আয়াত : ১৭)
আজ যারা শিশু আগামী দিনে তারাই যুবক। সুন্দর সমাজ ও রাষ্ট্রগঠনে তারাই দেশ ও জাতিকে নেতৃত্ব দেবে। তারাই হবে সুশোভিত ও গৌরবময় ভবিষ্যতের পথনির্দেশক। প্রত্যেক শিশুর মাঝেই লুকিয়ে আছে ভবিষ্যতের সুন্দর পৃথিবী। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দুনিয়ার জীবনের শোভা।’ (সুরা কাহফ : আয়াত ৪৬) ইসলামের নির্দেশ নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা তোমাদের সন্তানদের মহৎ করে গড়ে তোলো এবং তাদের উত্তম আদব তথা শিষ্টাচার শিক্ষা দাও।’ (মুসলিম
আল-হামদুলিল্লাহ..। আমরা ছাত্রদের খুবই গুরুত্বের সঙ্গে পড়িয়ে থাকি যার উদারণ প্রত্যেক ছাত্র..
আসসালামু আসসালামু, আমার নাম ঈশান, আমি কায়েদা, ৫ কালেমা, মাসনূন দুয়া সহ ১৭ সূরা মুখস্থ করেছি, এখন কুরআন শরীফ ২২ পাড়া শেষ হয়েছে।
আমার বয়স ৫ বছর, আমি এখন একাই বানান করে কুরআন পড়তে পারি...। আমার ১৭ সূরাহ সহ ৫ টি দুয়া মুখস্থ হয়েছে , ছয় কালেমা পারি।
আমার নাম ওহি, আমি গুরুত্বপূর্ণ দুয়া সহ , ১৭ সূরা মাসনূন দুয়া পারি, আমি প্রতি দিন ৫ পৃষ্ঠা করে কুরআন পড়ি, আমার এখন ২৬ পড়া শেষ।
আল-হামদুলিল্লাহ..। আমি এখন কুরআন বুজে বুজে একাই পড়তে পাড়ি, এর আগে পড়েছি কিন্তু তখন আমি বুজতাম না, এখন হুজুরের কাছে দৈনিক ৫ পাতা করে পড়া শোনায়।





Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text.
যিনি শিক্ষা দান করেন, তিনিই শিক্ষক। কিন্তু সবাই আদর্শ শিক্ষক হন না। একজন আদর্শ শিক্ষকের মাঝে কি কি মৌলিক গুণাবলী থাকা দরকার সেটাই আলোচ্য নিবন্ধে উপ…
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন- خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَمَه. তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ সেই, যে নিজে কুরআন শ…
মানুষকে সঠিক পথ দেখানোর জন্য আল্লাহ তায়ালা যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসূল পাঠিয়েছেন। এসকল নবী -রাসূলদেরকে গাইডবুক হিসেবে সহীফা ও কিতাব দিয়েছেন। এসব কিত…
একজন শিক্ষক দেশ ও সমাজের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ।